অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন?(How to make money online)
বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ এই ইন্টারনেট এর উপর নির্ভর হয়ে উঠছে। এতে করে তারা বিভিন্ন ভাবে তাদের কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মাঝে একটা প্রশ্ন আসতে পারে সবার মনে?
এটি তো আমরা ব্যবহার করছি কিন্তু এর মাধ্যমে কি আমরা কোনো টাকা ইনকাম করতে পারবো? হ্যাঁ অবশ্যই আমরা এই ইন্টারনেট বা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবো।
কিভাবে করতে পারবো?...
আমরা সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার এর জন্য ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকি। আর এর মাধ্যমেই কিন্তু আমরা অনলাইন এ বিভিন্ন ছোট-বড় কাজ করে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করে আমাদের হাতে আনতে পারি। যা আপনি কিন্তু আপনার বাড়িতে বসেই করতে পারবেন।
আজ আমি আপনাদের মাঝে ৫টি সেরা উপায় শেয়ার করবো যা আপনারা আপনাদের মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ এর মাধ্যমে করতে পারবেন।
১। ব্লগিং (Blogging) করে আয়-
ব্লগিং অনলাইন আয়ের বেশ পুরাতন কিন্তু অনেক কার্যকরী একটা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বেশ ভালো অঙ্কের একটা টাকা প্রতি মাসেই ইনকাম করা সম্ভব।
এটি মূলত একটি ডিজিটাল নিউজ পেপার এর মতো। আপনি আপনার মন মতো কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিখবেন। যার ওই বিষয়টি জানার দরকার সে এসে পড়ে যাবে।
আপনি এখন যে লেখাটি পড়ছেন এটিও একটি ব্লগ। অতএব বুঝতেই পারছেন বিষয়টা। লেখালেখি যদি আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই এখান থেকে ইনকাম করতে পারেন।
২। ইউটিউবিং করে আয় (YouTube)-
বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আপনিও কিন্তু চাইলেই ইউটিউব এ ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করা শুরু করতে পারেন।
এই ভিডিও বানাতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় ইউটিউবার-ই মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে তাদের ইউটিউব যাত্রা। তারপরে সফল হওয়ার পরে এখন তারা দামি দামি গেজেট বা ক্যামেরা ব্যবহার করে।
আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো থাকে, প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে যদি আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন। তবে এক্ষেত্রে একটি ছোট্ট বিষয় টিপস দিয়ে রাখি আপনাদের। আপনারা যদি সত্যিই প্রফেশনালভাবে ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান তাহলে ভিডিওর অডিও ও ভিডিও এডিটিং খুবই ভালো ভাবে করতে হবে।তারপরে সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ভিউ টাইম হয়ে গেলে আপনি মানিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর পরে প্রতিটা ভিডিওতে মানিটাইজেশন একটিভেট করে নিলেই আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।
৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) করে আয়-
★★এইটা নিয়ে ইতোমধ্যে আমাদের সাইট এ আলোচনা করা হয়ছে। তবুও আরো কিছু তথ্য আপনাদের এখানে দেওয়া হলো।★★অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) বর্তমানে সারা বিশ্বেই অনেক জনপ্রিয় একটি অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এর সংখ্যা বাড়ছে।
এটি অনেক সহজ একটি মাধ্যম। কিন্তু সাধারন মানুষের অনেকেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা না থাকার কারনে এই কাজে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করছেনা। আসুন বিষয়টা খুব সহজে বুঝে নেই।
বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার ই-কমার্স সাইট রয়েছে। এদের ভেতরে অনেকগুলো আবার সারা বিশ্বেই পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে। এইসব ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রত্যেকটাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নামে একটি সেকশন রয়েছে।
আপনি সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই তাদের মেম্বার হয়ে যেতে পারেন। তারপর আপনার একটা গ্রুপ তৈরি করতে হবে বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে। এরকম গ্রুপ আমাদের প্রতিটি মানুষেরই আছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এখন ওই নির্দিষ্ট ই-কমার্স সাইট থেকে আপনি বিভিন্ন পন্যের বিবরন সহ ওই লিঙ্ক কপি করে বিভিন্ন গ্রুপে পাঠাতে হবে। এবার ওখানে থেকে ওই লিঙ্কে ক্লিক করে যদি কেও পন্যটি কিনে তাহলে আপনি সেটার থেকে নির্দিষ্ট পরিমানের একটি কমিশন পাবেন। এক্ষেত্রে আপনার কমিশনের জন্য কিন্তু পন্যটির দাম বাড়বে না। পন্যটির আসল যে দাম সেটি দিয়ে মানুষ কিনতে পারবে আপনার পাঠানো লিঙ্ক থেকে।
তবে এ ধরনের কাজ করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং সর্ম্পকেও পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ধারনা থাকা চাই।
৪। ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় (Facebook Marketing)-
ফেসবুক মার্কেটিং বিষয়টা আপনাকে বুঝতে হলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে মার্কেটিং মানে কি?
মার্কেটিং হলো এমন একটা কাজ যার মাধ্যমে কোনো product,service বা business এর প্রচার করা হয়।
আর এই কাজটি যদি ফেসবুকের মাধ্যমে করা হয় তাহলে সেটাকে ফেসবুক মার্কেটিং বলে।
৫ । অনলাইন সার্ভে (Online Survey) করে আয়-
অনেক কোম্পানি আছে যারা গ্রাহকের কাছ থেকে ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের সার্ভে করে থাকে। অনেক দেশে তো সরকারীভাবেই বিভিন্ন সার্ভে হয়ে থাকে। দেশের সার্বিক অবস্থায় দেশের জনগন কতটা সন্তুষ্ট এটা জানার জন্য সরকার এই সার্ভে গুলো করে থাকে। তবে বড় বড় কোম্পানিগুলোই বেশির ভাগ অনলাইন সার্ভের ব্যবস্থা করে থাকে।
এইসব সার্ভে সাধারনত পেইড হয়ে থাকে। আপনি চাইলেই এসব সার্ভে করে প্রতি মাসে ভালো অঙ্কের একটি ইনকাম করে ফেলতে পারেন। বড় বড় কোম্পানিগুলো তো একটি সার্ভের জন্য ৫০-৮০ ডলার পর্যন্ত খরচ করে থাকে। এইসব সার্ভে গুলো নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।
★★উপরের এই উপায় গুলো ছাড়াও আমরা আরো নানান উপায় এ আমরা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারি★★
এইরকম online income-marketing tips and trick পেতে আমাদের সাথে থাকুন। (ধন্যবাদ)






5 নাম্বারটা কিভাবে ?
এইটা নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট পাবেন। তাছাড়া YouTube থেকে এই বিষয়টা দেখতে পারেন। ধন্যবাদ🖤
very nice